হ-বাংলা নিউজ:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশের গবাদি পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (এফএমডি) ও লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
রোববার সকালে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ঘাট দুগ্ধ কারখানার সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “এফএমডি ও এলএসডি দুটি রোগই গবাদি পশুর জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং তা খামারিদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। এসব রোগ নির্মূলে পরিকল্পিতভাবে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।”
কোরবানির পশুর চামড়া যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আসন্ন কোরবানিতে যেন কেউ বলতে না পারে এলএসডির কারণে পশুর চামড়া নষ্ট হয়েছে।”
মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি আরও তীব্র করার নির্দেশ দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “পাবনা-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো গাফিলতি সহ্য করা হবে না। কর্মকর্তাদের খামারিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।”
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, “পাবনা ও সিরাজগঞ্জ প্রাণিসম্পদে সমৃদ্ধ এলাকা। এসব জেলাকে এফএমডি ও এলএসডিমুক্ত ঘোষণা করতে হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।” এসময় তিনি সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. হেমায়েত হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) বেগম শামসুন্নাহার আহমদ, পরিচালক (উৎপাদন) ড. এ. বি. এম. খালেদুজ্জামান, এলডিডিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চিফ টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর মো. গোলাম রব্বানী, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ. কে. এম. আনোয়ারুল হকসহ বিভিন্ন উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি চিকিৎসকবৃন্দ।
