হ-বাংলা নিউজ:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৮ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে এই প্ল্যাটফর্মটির আহ্বায়ক হিসেবে হাসনাত আবদুল্লাহ, সদস্যসচিব হিসেবে আরিফ সোহেল, মুখ্য সংগঠক হিসেবে আবদুল হান্নান মাসউদ এবং মুখপাত্র হিসেবে উমামা ফাতেমার নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই নির্বাহী কমিটি প্রকাশ করা হয়। কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৮ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে এবং পদাধিকারবলে আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র এই কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
নতুন গঠিত নির্বাহী কমিটিতে যারা আছেন, তারা হলেন: মো. মাহিন সরকার, রশিদুল ইসলাম রিফাত, নুসরাত তাবাসসুম, লুৎফর রহমান, আহনাফ সাঈদ খান, তারেকুল ইসলাম (তারেক রেজা), তারিকুল ইসলাম, মো. মেহেরাব হোসেন সিফাত, আসাদুল্লাহ আল গালিব, মোহাম্মদ রাকিব, সিনথিয়া জাহিন আয়েশা, আসাদ বিন রনি, নাইম আবেদীন, মাহমুদা সুলতানা রিমি, ইব্রাহিম নিরব, রাসেল আহমেদ, রফিকুল ইসলাম আইনী এবং মুঈনুল ইসলাম।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন একসময় গণ–অভ্যুত্থানে রূপ নেয়, যার ফলে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। আন্দোলন পরিচালনার জন্য ৮ জুলাই ৬৫ সদস্যের সমন্বয়ক টিম গঠন করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ৩ আগস্ট ১৫৮ সদস্যে সম্প্রসারিত হয়। ২২ অক্টোবর, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলন করে সমন্বয়ক টিম বিলুপ্ত করে চার সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠন হওয়ার পর, সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে এক পোস্টে প্ল্যাটফর্মটির আহ্বায়ক লিখেছেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’—যাদের কাঁধে রয়েছে শহিদদের রক্তের দায় এবং একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব—তাদের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এই কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নির্বাহী কমিটির সদস্যদের ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা তারা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন এবং জাতির প্রতি তাদের আমানত রক্ষা করবেন বলে আমরা আশাবাদী। তাদের ভবিষ্যৎ পথচলা সফল এবং নির্বিঘ্ন হোক, এই কামনা রইল।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সকল সদস্যকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন।
