হ-বাংলা নিউজ:
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনে জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে ক্রিস রাইটকে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের প্রতি তার দৃঢ় অবস্থানের জন্য পরিচিত রাইট, যিনি বর্তমানে একটি তেল ও গ্যাস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
শনিবার ট্রাম্প ক্রিস রাইটকে তার নতুন প্রশাসনে জ্বালানিমন্ত্রী করার কথা ঘোষণা করেছেন, এবং রোববার বার্তাসংস্থা রয়টার্সে এ খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।
ক্রিস রাইট, ডেনভারে অবস্থিত লিবার্টি এনার্জি নামক তেলক্ষেত্র পরিষেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও। ট্রাম্পের পরিকল্পনায় তেল-গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য রাইটের সমর্থন প্রত্যাশিত। বিশেষভাবে, ক্রিস রাইটের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এ সময়ের মধ্যে তেল-গ্যাসের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ট্রাম্পের শীর্ষ অগ্রাধিকারগুলোর একটি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছেন ট্রাম্প, এবং এই অবস্থানে ক্রিস রাইটও তার পাশে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। জলবায়ু কর্মীদের নিয়ে ট্রাম্প একসময় মন্তব্য করেছিলেন, তাদের উদ্বেগ “উদ্বেগজনক” এবং তাদের চিন্তাভাবনা তিনি সমর্থন করেন না।
গত বছর লিংকডইনে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ক্রিস রাইট বলেছেন, “জলবায়ু সংকট বলে কিছু নেই। আমরা জ্বালানি ব্যবহারের রূপান্তরের পথে না এগিয়ে গিয়ে, আমাদের কেবল বর্তমান অবস্থার উপর ভিত্তি করে কাজ করতে হবে।”
ক্রিস রাইট এখন মার্কিন সিনেটের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন। অনুমোদন পেলে, তিনি বর্তমান জ্বালানিমন্ত্রী জেনিফার গ্রানহোমের স্থলাভিষিক্ত হবেন। উল্লেখ্য, জেনিফার গ্রানহোম বিদ্যুৎচালিত যানবাহন এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য সমর্থক ছিলেন। অন্যদিকে, ক্রিস রাইট জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের পক্ষে এবং এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখতে চান।
ক্রিস রাইটের মতে, দারিদ্র্য দূর করতে এবং মানুষের জীবনে উন্নয়ন আনতে, আরও জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তোলন করা প্রয়োজন।
