হ-বাংলা নিউজ: অস্ট্রেলিয়ায় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়লেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারের শঙ্কা এড়াতে পারেনি পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম ম্যাচে সাত ওভারের ছোট্ট ম্যাচে ২৯ রানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে লড়াই করেও ১৩ রানে হেরেছে তারা।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে পাকিস্তান প্রথমে বল করে অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৭ রানে আটকে রাখে। তবে পাকিস্তানের ব্যাটাররা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি, এবং সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানেই থেমে যায় তাদের ইনিংস।
ম্যাচের সারসংক্ষেপ:
সিডনির এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে হারিস রউফ সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেন, আর আব্বাস আফ্রিদি তিনটি উইকেট নেন।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অসিরা দ্রুত শুরু পায়। কোনো উইকেট না হারিয়েই দলীয় ফিফটি পার করে ওপেনাররা। তবে এরপর উইকেট পতনের ধাক্কায় দলটির রান সংগ্রহের গতি ধীর হয়ে যায়।
জ্যাক ফ্র্যাসার ম্যাকগার্ক ৯ বলে ২০ রান করে সাজঘরে ফিরলে, জস ইঙলিশও শূন্য রানে আউট হন। এর পরেই ম্যাথু শর্টও ১৭ বলে ৩২ রান করে ফিরে যান। উইকেট পতনে বারবার রান তুলতে সমস্যা দেখা দেয় অস্ট্রেলিয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ১৪৭ রানের স্কোরে থেমে যায়, যেটি পাকিস্তানের জন্য বেশ কঠিন লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।
পাকিস্তানের ব্যাটিং:
পাকিস্তানের ইনিংসে একমাত্র উসমান খান ৫২ রান করে কিছুটা লড়াই করেছেন। তবে, দলের বড় তারকারা – মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৬), বাবর আজম (৩), সাহিবজাদা ফারহান (৫) এবং সালমান আলি আঘারা (০) চরমভাবে ব্যর্থ হন।
ইরফান খান ২৮ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকলেও তা পাকিস্তানের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ফলে ১৩৪ রানে সব উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হয়। তাদের ১৩ রান দূরে থাকতে ইনিংস শেষ হয়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের দাপট:
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন বাঁহাতি পেসার স্পেনসার জনসন। ৪ ওভার বল করে ২৬ রানের বিনিময়ে তিনি ৫টি উইকেট শিকার করেন, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। তার এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তিনি ম্যাচের সেরাও নির্বাচিত হন।
সিরিজের ফল:
১৩ রানের জয়ের মাধ্যমে ২-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এতে ওয়ানডে সিরিজ হারানোর প্রতিশোধও নিতে সফল হয় তারা।
