আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অসাংবিধানিক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সংগঠন সমুহের প্রতিবাদ

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ,আওয়ামী পরিবার,সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনসহ মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী,সাহিত্যিক, সাংবাদিক,মানবাধিকার,কবি,লেখক এবং বুদ্ধিজীবী নেতৃবৃন্দ মাঝে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা,বাকসু’র সাবেক জিএস ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.প্রদিপ কর,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মুলধারার রাজনৈতিক এমএ সালাম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হাজী শফিকুল আলম,উপদেষ্টা ড.মহসিন আলী,উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রমেশ নাথ,উপদেষ্টা ড.বামন দাস,সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসিব মামুন,সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দীন দেওয়ান,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর  রহীম বাদশা, সাংগঠনিক চন্দন দত্ত,দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ বখতির আলী,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এমএ করিম জাহাঙ্গীর,শেখ হাসিনা মন্ত্রের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা জালাল উদ্দিন জলিল, সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা কায়কোবাদ খান,সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল মাহমুদ,আওয়ামী লীগ নেতা আকতার হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ,বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি,বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন,বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু,বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল খান আনসারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা অবিনাশ আচার্য্য,বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল মজিদ,যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি দেওয়ান সাহেদ চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম জিকু,যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমানা আক্তার,আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম,প্রকৌশলী মিজানুল হাসান,টি.মোল্লা,দেলওয়ার হোসেন মোল্লা,যুব লীগ নেতা জামাল হোসেন,খন্দকার জাহিদুল ইসলাম,অথর রাজু আহমেদ মোবারক,ওসমান গনি,সুহাস বড়ুয়া,বিশ্বজিৎ সাহা,জেসমিন আক্তার কহিনুর,ফিরোজ আহমেদ কল্লোলসহ ১০১ জন বিশিষ্ট গুনিজন  বলেছেন,  সংসদে কালো মেঘ……!!!,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কি গণহত্যাকারী বা সন্ত্রাসী দল হিসাবে আইনে কোথাও প্রমানীত হয়েছে? না সন্ত্রাসীদের কথায় আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী দল বলা হ্চছ? দোষী প্রমানীত হওয়ার পূবেই সংসদে কার্যক্রম নিষিদ্ধের এ রকম কালো আইন পাশ করা হলো! আওয়ামী লীগ নিয়ে এত ভয় কেন? দেশের অর্ধেক মানুষকে আইন করে রাজনীতির বাহিরে রেখে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার কুটচাল। কোন চাল সফল হবে না। প্রমানীত সত্য সন্ত্রাসী  ও গণহত্যাকারী দলকে সংসদে পাশে বসিয়ে গণরিরোধী এ রকম আইন পাশ বাংলার মানুষ সহ্য করবে না। আওয়ামী লীগের পেটে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে আওয়ামী লীগ ততদিন থাকবে। যত ষড়যন্ত্রই হোক কেউ একে নিঃশেষ করতে পারবে না।   নেতৃবৃন্দ বলেছেন,এর মাধ্যমে প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওমীলীগের নিষিদ্ধের ব্যপারে ইউনুস ও বিএনপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করে লিখেছেন:-

খুনি ইউনুসের অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপদেষ্টা পরিষদের তথাকথিত সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫—যে অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার আগেই তা ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার আদেশ জারি করা হয়েছে—তা সম্পূর্ণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক।

কারণ:
অধ্যাদেশ কোনো আইনে পরিণত হওয়ার আগেই তার ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না। উপরন্তু, কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আইনের শাসনের পরিপন্থী।খবর আইবিএননিউজ ।নেতৃবৃন্দ আরো বলেছেন,

এমনকি যদি পরবর্তীতে এই অধ্যাদেশ আইনে পরিণতও হয়, তাহলেও বর্তমান সরকারকে নতুন আইনের আলোকে পুনরায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আগের আদেশ বহাল থাকবে কি না। সন্ত্রাস প্রতিরোধ আইন ২০০৯ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের আদেশ কার্যকর হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুসারে, নতুন কোনো বৈধ আইনের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করা হলে পূর্বের এই আদেশ কার্যত অকার্যকর ও অবৈধ। যে কোনো সাংবিধানিক আদালতে এটি অসাংবিধানিক বলেই বিবেচিত হওয়ার কথা।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আজ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক স্বাধীনতাও প্রশ্নবিদ্ধ। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীর সাংবিধানিক অধিকার, এমনকি জামিন পাওয়ার অধিকারও উপেক্ষা করা হচ্ছে।

বিএনপির কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল—তারা একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিবেচনায় এ ধরনের প্ররোচিত, বিতর্কিত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার পথে হাঁটবে না। যদি তারা একই পথে এগোয়, তবে ইউনুস সরকারের মতো পরিণতি তাদেরও ভোগ করতে হবে।

স্বাধীনতা বিরোধীদের প্ররোচনা, উগ্র গোষ্ঠীর অপপ্রচার, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলের সমালোচনা এবং দেশের অর্থনৈতিক সংকট—সবকিছু উপেক্ষা করে দেশকে অস্বাভাবিক পথে ঠেলে দিলে, তার রাজনৈতিক মূল্য চুকাতে হবে।

আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলার কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।জনগণের ভালোবাসা ও আস্থায় আওয়ামী লীগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে এবং সকল অপশক্তিকে পরাজিত করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *