হ-বাংলা নিউজ: নৌপরিবহণ, বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন নরওয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চালু করতে। তিনি বলেন, “নরওয়েতে সরাসরি নৌ যোগাযোগ স্থাপিত হলে চট্টগ্রাম থেকে নরওয়ের যেকোনো বন্দরে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে।” এ উদ্দেশ্যে তিনি বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে একটি বিশেষ নৌ-চুক্তি স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
রোববার নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হকোন অ্যারাল্ড গুলব্র্যান্ডসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নৌ উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।
ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির সোনালি প্রবেশদ্বার। সরকার চট্টগ্রামসহ অন্যান্য সমুদ্রবন্দর দিয়ে সফলভাবে বহির্বিশ্বের সঙ্গে নৌ-বাণিজ্য পরিচালনা করছে। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি), ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর বাজারে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।”
তিনি আরো বলেন, “বাংলাদেশের আরএমজি পণ্য ইতোমধ্যে নরওয়ের বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলিতে কার্গো পৌঁছাতে ৪০ থেকে ৪৫ দিন বা তারও বেশি সময় লাগে। তবে, যদি নরওয়েতে সরাসরি নৌ যোগাযোগ স্থাপন করা হয়, তাহলে চট্টগ্রাম থেকে নরওয়ের যেকোনো বন্দরে পণ্য পৌঁছাতে গড়ে ১৮ থেকে ২৩ দিন কম সময় লাগবে এবং পরিবহন খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।”
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত গুলব্র্যান্ডসেন উপদেষ্টার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ এবং নরওয়ের মধ্যে দীর্ঘকালীন সম্পর্ক, উন্নয়ন সহযোগিতা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। নরওয়ের বিভিন্ন কোম্পানি, বিশেষ করে জাহাজ শিল্পসহ অন্যান্য খাতে বাংলাদেশে কাজ করতে আগ্রহী।”
এসময় ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। দেশের ভূ-কৌশলগত অবস্থান ও সমুদ্রবন্দরগুলো দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তর্জাতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব হিসেবে পরিণত করেছে। চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়াও মোংলা ও পায়রা বন্দর দুটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। মোংলা বন্দরকে একটি গ্রিনপোর্ট হিসেবে তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণাধীন রয়েছে। নরওয়ে এসব বন্দরগুলোর ডকইয়ার্ড নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করতে পারে।”
তিনি ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা (আইএমও) নির্বাচনে বাংলাদেশের পক্ষে নরওয়ের সমর্থন প্রত্যাশা করেন। রাষ্ট্রদূত গুলব্র্যান্ডসেন জবাবে বলেন, “নরওয়ে সবসময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।”
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নৌপরিবহণ, বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন নরওয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চালু করতে। তিনি বলেন, “নরওয়েতে সরাসরি নৌ যোগাযোগ স্থাপিত হলে চট্টগ্রাম থেকে নরওয়ের যেকোনো বন্দরে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে।” এ উদ্দেশ্যে তিনি বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে একটি বিশেষ নৌ-চুক্তি স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
রোববার নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হকোন অ্যারাল্ড গুলব্র্যান্ডসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নৌ উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।
ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির সোনালি প্রবেশদ্বার। সরকার চট্টগ্রামসহ অন্যান্য সমুদ্রবন্দর দিয়ে সফলভাবে বহির্বিশ্বের সঙ্গে নৌ-বাণিজ্য পরিচালনা করছে। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি), ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর বাজারে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।”
তিনি আরো বলেন, “বাংলাদেশের আরএমজি পণ্য ইতোমধ্যে নরওয়ের বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলিতে কার্গো পৌঁছাতে ৪০ থেকে ৪৫ দিন বা তারও বেশি সময় লাগে। তবে, যদি নরওয়েতে সরাসরি নৌ যোগাযোগ স্থাপন করা হয়, তাহলে চট্টগ্রাম থেকে নরওয়ের যেকোনো বন্দরে পণ্য পৌঁছাতে গড়ে ১৮ থেকে ২৩ দিন কম সময় লাগবে এবং পরিবহন খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।”
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত গুলব্র্যান্ডসেন উপদেষ্টার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ এবং নরওয়ের মধ্যে দীর্ঘকালীন সম্পর্ক, উন্নয়ন সহযোগিতা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। নরওয়ের বিভিন্ন কোম্পানি, বিশেষ করে জাহাজ শিল্পসহ অন্যান্য খাতে বাংলাদেশে কাজ করতে আগ্রহী।”
এসময় ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। দেশের ভূ-কৌশলগত অবস্থান ও সমুদ্রবন্দরগুলো দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তর্জাতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব হিসেবে পরিণত করেছে। চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়াও মোংলা ও পায়রা বন্দর দুটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। মোংলা বন্দরকে একটি গ্রিনপোর্ট হিসেবে তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণাধীন রয়েছে। নরওয়ে এসব বন্দরগুলোর ডকইয়ার্ড নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করতে পারে।”
তিনি ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা (আইএমও) নির্বাচনে বাংলাদেশের পক্ষে নরওয়ের সমর্থন প্রত্যাশা করেন। রাষ্ট্রদূত গুলব্র্যান্ডসেন জবাবে বলেন, “নরওয়ে সবসময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।”
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
