বাংলাদেশের ইতিহাসে ১২মার্চ, ২০২৬ এক কলংকিত দিন হিসেবে চিহ্নিত হলো। মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে অবৈধ ইউনুস প্রশাসন সংবিধান পরিপন্থী অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে ১২ই ফেব্রুয়ারী যে নির্বাচন অনুষ্টিত করেছে তার আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। ১২ই মার্চ এই অবৈধ সংসদের প্রথম অধিবেশনে জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় প্রতীকের অবমাননা থেকে শুরু করে জাতির জনক তথা ৭১এ মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ এবং দুই লক্ষ ধর্ষিতা মা বোনদের অপমান করে অবৈধ কথিত সাংসদরা বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে।
১২ ফেব্রুয়ারীর পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে গণহত্যাকারী জামাত ই ইসলামীকে বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। মহান মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস বিকৃতকারী সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বিনা প্রতিবাদে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় প্রতীকের অবমাননা মেনে নিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করেছে।
এই কলঙ্কজনক দিনে যুদ্ধপরাধী দল জামাত ৭১ এর ঘৃণিত গণহত্যাকারীদের জন্য শোক প্রস্তাব আনে এবং তা ২১ শে আগস্টের মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সহাস্যে মেনে নেয়। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত দ্বারা দণ্ডপ্রাপ্ত এই গণহত্যাকারীদের জন্য শোক প্রস্তাব পাশ করিয়ে এই সংসদ আবারও প্রমান করলো যে তারা অবৈধ, তারা বাংলাদেশ বিরোধী এবং তারা দেশের সংবিধান ও আদালত অবমাননা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং এর অঙ্গরাজ্য শাখার সকল সদস্যবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বিএনপি-জামাত দ্বারা সংগঠিত সংবিধান লঙ্ঘন এবং আদালত অবমাননার তীব্র নিন্দা করছে।
নিবেদনে,
ডঃ নুরুন নবী – সভাপতি
রানা হাসান মাহমুদ – সাধারন সম্পাদক
যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ
